ঢাকায় আজ ভারত-পাকিস্তান মহারণ - Bangladeshi News

Top News Site In Bangladesh

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 12 September 2018

ঢাকায় আজ ভারত-পাকিস্তান মহারণ

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বলতে গেলে লেগেই আছে। ময়দানে কিংবা সীমান্তে। কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা থাকে প্রতিনিয়ত। যে কোনো মুহূর্তে যুদ্ধের দামামা বাজবে বাজবে অবস্থা। সীমান্তের উত্তেজনা ময়দানি লড়াইয়েও থাকে।

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ে চোখ থাকে পুরো দুনিয়ার। শুধু ক্রিকেটেই নয়, যে কোনো খেলায় ভারত-পাকিস্তান লড়াই নিয়ে থাকে বাড়তি উন্মাদনা। দু’দেশের সমর্থকরা থাকেন স্নায়ুর চাপে। তেমনই আরেকটি লড়াই বুধবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। এবারের লড়াইটা ফুটবলের। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মহারণে লড়বে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

ভারত-পাকিস্তান লড়াই নিয়ে চলছে উত্তেজনার পারদ। হোক না ক্রিকেটের বদলে ফুটবল। দেশ দুটো তো একই। ভারত-পাকিস্তান। পরিসংখ্যান কিংবা শক্তির বিচারে কখনোই ভারত-পাকিস্তান লড়াইকে বিশ্নেষণ করা যায় না। ফেভারিট তকমাটাও কারও গায়ে সেটে দেওয়া যায় না। তেমনি করে ফুটবলে যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতকে ফেভারিট ধরা যাচ্ছে না।

একটি গোলেই বদলে দিতে পারে ম্যাচের দৃশ্যপট। যে কোনো দল আগে গোল করলে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রা এমনিতেই চাপে পড়ে যায়। যে কারণে র‌্যাংকিংয়ে ১শ’র ওপরে এগিয়ে থাকলেও পাকিস্তানকে সমীহ করছেন ভারত কোচ স্টিফেন কনস্ট্যান্টাইন। তবে ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। গতকাল ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় কোচ বলেন, ‘আমরা এই ম্যাচের গুরুত্ব জানি। কিন্তু ম্যাচটাকে আমরা আলাদা করে দেখতে চাই না। অন্য ম্যাচের মতো গুরুত্ব দিয়ে খেলব। আলাদা করে চাপ নিতে চাই না। পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’

তিন বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষিদ্ধ ছিল পাকিস্তান। সর্বশেষ ফুটবলে দু’দেশের লড়াইটা হয়েছিল এই সাফেই ২০১৩ সালে। নেপালে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ১-০ গোলে জিতেছিল ভারত। ঢাকার মাঠে শেষ লড়াইয়ে অবশ্য সমতা। ২০০৩ সালের সাফে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল পাকিস্তান। স্থান নির্ধারণীর লড়াইয়ে জয়ী দলটি ছিল ভারত। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে খেলছে।

জেশান রহমান, সাদ্দাম হোসেনকে নিয়ে পাকিস্তানের দলটা বলা চলে অভিজ্ঞ। ২০০৫ সালে করাচিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলা জেশান এখনও খেলে যাচ্ছেন। সাফের দেশ থেকে প্রথম ইপিএলে খেলা জেশানের কাছে এই ম্যাচটি বিশেষ কিছু, ‘এই ম্যাচ যেমন আমাদের কাছেও বিশেষ, আমি নিশ্চিত ভারতের কাছেও। এই ম্যাচের সঙ্গে অনেক ইতিহাস জড়িয়ে। অনেক আবেগ জড়িয়ে। প্রত্যেক ফুটবলারই এই ম্যাচের জন্য বাড়তি কিছু দেবে।’

ভারতের কোচ স্টিফেন যেমন ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর, পাকিস্তানও তাই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে শিরোপা মঞ্চে পা রাখতে চান অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন, ‘এই ম্যাচটা খেলার জন্য আমরা আর অপেক্ষা করতে পারছি না। প্রতিটি ছেলে মুখিয়ে রয়েছে। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়ে আমরা সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছি। একটা দারুণ লড়াই হবে।’

তিন বছর নিষিদ্ধ থাকলেও পাকিস্তান দলের ফুটবলাররা খেলার মধ্যেই ছিলেন। তারা বেশিরভাগ ফুটবলার বিদেশে লীগে খেলেন। মুহাম্মদ আলী, ইউসুফ বাট, হাসান বশিররা খেলেন ডেনমার্কের ক্লাবে। আর জেশান রহমান তো আছেনই। ভারত সেদিক থেকে কিছুটা অনভিজ্ঞ। ভরসা জুনিয়ররাই। মালদ্বীপের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করা মনবীর সিংদের নিয়েই শিরোপার স্বপ্ন দেখছে ভারত। ট্রফি নিয়ে ভাবছে না। আপাতত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়েই ভাবছেন ভারতীয়রা।



from BdNews24 https://ift.tt/2Ob56HE

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages