বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে খালেদা জিয়ার রিট - Bangladeshi News

Top News Site In Bangladesh

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 9 September 2018

বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে খালেদা জিয়ার রিট

বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ রোববার তাঁর আইনজীবী কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। আগামীকাল সোমবার রিটের ওপর শুনানি হবে।

রিটকারী আইনজীবী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার পছন্দমতো কোনো হাসপাতালে সুচিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে আজ দুপুরে রিট করা হয়েছে। আগামীকাল বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি শেখ আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

কায়সাল কামাল বলেন, ‘গত ৫ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল দাবি করেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। এ জন্য আদালত কারাগারে বসানো হয়েছে। এতে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয় যে খালেদা জিয়া অসুস্থ। খালেদা জিয়া নিজেও ৫ সেপ্টেম্বর আদালতে বলেছেন, তাঁর হাত-পা প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছে। তিনি গুরুতর অসুস্থ। এ কারণে ওনার পছন্দমতো হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আমাকে রিট করার দায়িত্ব দিয়েছেন।’

গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর হওয়া অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি হয়। এ জন্য সেদিন দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে খালেদা জিয়াকে একটি হুইল চেয়ারে করে আদালতে নেওয়া হয়।

শুনানিকালে বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ‘জজ সাহেবের কাছে কোনো কথা বা নিবেদন করা যায় না। উনি তারিখ দিয়ে উঠে চলে যান। আমাদের কারো কথা শোনেন না। সরকারের হুকুমে এবং নির্দেশে তিনি সবকিছু পরিচালনা করছেন। আমার পায়ে ব্যথা। ডাক্তার আমাকে পা সব সময় উঁচু করে রাখতে বলেছেন। হাতেও প্রচণ্ড ব্যথা। আমাকে জোর করে এখানে আনা হয়েছে। আমি খুবই অসুস্থ। আমি ঘন ঘন কোনো হাজিরা দিতে পারব না। রায় তো লেখাই আছে। আমার হাত-পা প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের যা ইচ্ছা রায় দেন, যত খুশি সাজা দিয়ে দেন।’

আদালতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এখানে যে আদালত বসানো হয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা আমার আইনজীবীরা জানেন না। এটা জানলে আমি আসতাম না। আদালত পরিবর্তন হলে কমপক্ষে সাত দিন আগে নোটিশ দিতে হয়। তা জানানো হয়নি। তড়িঘড়ি করে বিচারের জন্য এ কারাগারের ভেতরে আদালত বসানোর এ আয়োজন। মাননীয় আদালত, আমি জানি এ আদালতে আমি ন্যায়বিচার পাব না। সরকারের নির্দেশে এ কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। আমি আর এই আদালতে আসব না।’

এরপর আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। এ সময় পর্যন্ত এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখেন আদালত।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া অর্থদণ্ডও করা হয়। রায়ের পর খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।



from BdNews24 https://ift.tt/2wTyPhQ

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages